তারা সমকামিতাও করবে আবার সমকামী বিয়ে নিয়ে মজা করবে এবং ধর্ম পালন করবে কঠোর ভাবে - কেন এই ভন্ডামী?
জুয়েল ওসমানী

২৫ মে ২০১৮



আমরা বর্তমানে দেখছি মাদ্রাসাগুলোতে অবাধে শিশুকামিতা হচ্ছে - বিভিন্ন সময় দেখতে পাই এগুলোর সংবাদ। এখানে শিশুকামিতা আর সমকামিতা একদমই আলাদা বিষয়। কারণ হচ্ছে সমকামিতা হল দুইজন প্রাপ্তবয়স্ক সমলৈঙ্গিক মানুষের মাঝে ইচ্ছে মতে প্রেম, ভালবাসা বা যৌন মিলন। এটাই হল সমকামিতা। আর মাদ্রাসা এবং ধর্মীয় শিক্ষাঙ্গনে যে সকল শিক্ষাগুরুরা নাবালক শিশুদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে যৌনতা করে সেটাকেই বলে শিশুকামিতা বা শিশু ধর্ষণ বা শিশু নির্যাতন। আমরা এই শিশুকামিতার চরম বিরোধীতা করি। এগুলো বন্ধ করতে হবে রাষ্ট্র ও সমাজের।

এখন বলি সমকামিতা করেন বহু হুজুর গন, পুরোহিত গন। এরকম সংবাদ আমরা মাঝে মধ্যেই পাই! আবার ধর্মীয় আচার আচরণও তাদের মাঝে বিরাজমান। আমরা বর্তমানে দেখি তারা সমকামিতা করছে মানুষের অন্তরালে। আবার বাইরে এসে চেঁচিয়ে বলছে সমকামিতা হারাম! কেন এই ভন্ডামী? কারণটা হচ্ছে অজ্ঞতা, সামাজিক ভয়, ধর্মীয় অপশিক্ষা, পারিবারিক ভয় ইত্যাদি। কেন তাদের অজ্ঞ বললাম? সারা বিশ্বে মোট জনসংখ্যার ৫-১০ শতাংশ মানুষ যৌন প্রবৃত্তিগতভাবে ভিন্ন। এই ৫-১০% মানুষ সমকামী, উভকামী, রূপান্তরকামী, ইত্যাদি। এখানে সমকামী ছেলেরা কখনই মেয়েদের প্রতি যৌন আকর্ষণ বোধ করে না (বা মেয়েরা ছেলেদের প্রতি)। আর উভকামী ব্যক্তিগন একটু ভিন্ন। উভকামিতা সাধারণত বিষমকামিতা আর সমকামিতার একটা মিশ্রন। আর এই প্রকৃতিগত ব্যাপারটা আমাদের সমাজের বেশির ভাগ মানুষ অজ্ঞতার কারনে বুঝতে অক্ষম। এখানে বহু ক্ষেত্রে লক্ষ্য করা গিয়েছে যে উভকামী ব্যক্তিরা সমলিঙ্গের সাথে সহবাস করে এবং বিপরিত লিঙ্গের সাথেও সহবাস করে। কিন্তু ধর্মের অপব্যাখ্যা, সামাজিক ভয়, পারিবারিক ভয়, আর অজ্ঞতার কারণে উভকামী ব্যক্তিরা সমকামিতা করবে আড়ালে কিন্তু প্রকাশ্যে সমকামিতাকে ঘৃণা করবে এবং সমকামী বিবাহের কথা শুনলে নাক ছিটকাবে!

সমকামী বিয়ে নিয়ে কেন এত নাক ছিটকানো? যদি দুইজন প্রাপ্তবয়স্ক সমলৈঙ্গিক মানুষ নিজেদের ইচ্ছায় একে অপরের সাথে সারা জীবন বিয়ে করে বাচতে চায়, সেখানে রাষ্ট্রের নিয়ম এবং ধর্মীয় ব্যাখ্যা দিয়ে সেটা অস্বীকার করার কি কোনই যুক্তি থাকে? যে কোন মানুষ নিজে কি পছন্দ করবে, কি নিয়ে সে বাঁচবে সেটা নিশ্চয়ই তার স্বাধীনতা। বাংলাদেশ এমন একটা দেশ যেখানে একটা নারী ও একটা পুরুষ প্রেম করলেও সেটাকেও ভাল চোখে দেখে না আমাদের এই অজ্ঞ সমাজ। কারোর বিছানার খবর কি রাষ্ট্র বা সমাজের দেখা উচিৎ? তবুও আমরা সামাজিক জীব এবং আমরা রাষ্ট্রকে সম্মান করি। তাই আমরা চাই দেশের দন্ডবিধির ৩৭৭ ধারা বাদ দিয়ে যৌন সংখ্যালঘুদের সমান নাগরিক অধিকার দেওয়া হোক। একটা সমকামী যুগল কার পাকা ধানে মৈ দেয় সেটা আমার জানার দরকার নেই! সমকামীরা তো আর অস্ত্র দিয়ে জঙ্গিবাদ করার পরিকল্পনা করে না বিছানায়! তাহলে সরকারের কিসের এত ভয়? একটা বিছানায় দুইটা মনের ভালোবাসার মিলন হলে এতে করে রাষ্ট্র বা সমাজের কোন ক্ষতিটা হয় আমার জানা নেই। হ্যাঁ, অনেক ভাই সাহেবরা বলবেন - আচ্ছা সমকামিতা করলে কি বাচ্চা জন্ম দেয়া যায়, বা সমকামিতাকে প্রশ্রয় দিলে পৃথিবীতে কি মানব অস্তিত্ব টিকে থাকবে? আর সমকামিতাকে উন্মুক্ত করে দিলে সবাই যদি সমকামী হয়ে যায়?

এখানে আমার উত্তর হচ্ছে - প্রকৃতি কি ভাবে মানব জাতিকে রক্ষা করবে সেটা প্রকৃতির উপরেই ছেড়ে দিন! সমকামিতা তো আর অপ্রাকৃতিক না। যেখানে প্রকৃতি নিজেই ৫-১০% মানুষকে ভিন্ন যৌন প্রবৃত্তি দেয়, সেখানে আমি আর আপনি কি করে সেটাকে বদলাবো? এটাকে যে বদলানো সম্ভব না সেটা চিকিৎসা বিজ্ঞান বলে দিয়েছে। আরেকটা উত্তর হচ্ছে মানুষের কাজই কি শুধু বাচ্চা প্রসব করা? একটা বিয়ের ঘটনাকে যদি আপনি শুধু বাচ্চা প্রসব করার প্রক্রিয়া মনে করে থাকেন তাহলে আমি বলবো আপনি মানসিক রোগী। মানুষের জীবনে সুখ ও শান্তি বলে একটা কথা আছে। আমি কি করলে সুখই হব সেটা আমার উপরেই ছাড়তে হবে। আর বাচ্চা জন্ম দিলেই তো হয় না। সে বাচ্চার দায়িত্বও নিতে হয়। আমাদের সমাজের বিভিন্ন জায়গায়ে পড়ে আছে না খেয়ে থাকা অনেক পথশিশু। নেই তাদের উপর স্নেহের চাদর, নেই খাবার, নেই বাসস্থান। তাহলে এতই যখন চিন্তা তাহলে তাদের দায়িত্ব নিয়ে নিন! তা যদি না পারেন তাহলে তাদেরকে সমকামী যুগলের সংসারে দিয়ে দেখেন কি ভাবে সেই যুগলরা তাদের আদর ও যত্নে মানুষ করে। এতে করে পথশিশুর দুঃখও কমবে। আমরা দেখেছি অনেক স্বামী-স্ত্রীর সংসারে কোন বাচ্চা জন্মায় না। সেটার জন্য কে দায়ই? এটা প্রকৃতির বৈচিত্র্য। কাজেই ওই বন্ধা বা বাচ্চা জন্ম দিতে না পারা দম্পতিকে মানুষ হিসেবে দেখবেন না? এ জন্যই বলি প্রকৃতি নিজেকে কেমন রাখতে চায় সেটা প্রকৃতির উপরেই ছেড়ে দিন।

হ্যাঁ, আরেকটা উত্তর দিতে চাই - সবাই কি সমকামী হতে পারে? না মোটেই না! আপনি যদি বিষমকামী হয়ে জন্ম গ্রহন করে থাকেন তাহলে আপনি কি একটা সমলিঙ্গের সাথে সহবাসের কথা ভাবতে পারবেন? নিশ্চয়ই না। আবার এটাও হয়েছে যে অনেকে ঘটনা ক্রমে সমলিঙ্গের কারোর সাথে যৌন মিলন করেছেন কিন্তু তারা আসলে ছিল বিষমকামী - নিজেদের কাছে ব্যাপারটা তৃপ্তি দায়ক হয় নি। পরের বার আর ভুলেও করতে চাননি। হ্যাঁ, এটাই বলতে চাচ্ছি যে আপনি তাদের একজন হলে যেমন একবারের বেশি এমনটা করবেন না তেমনই পৃথিবীর ৯০% মানুষ যারা বিষমকামী, তারা সমকামী হয়ে যাবে না। এবং আপনি যেমন তৃপ্তি পাননি তেমনই একজন সমকামীও বিপরিত লিঙ্গের সাথে সহবাস করে তৃপ্তি পায় না। এগুলো বোঝার চেস্টা করুন। কাজেই আপনি জোর করে কারও জন্মগত যৌনতা বদলাতে পারবেন না। যদি বাধ্য হয়ে কিছু করতে হয় সেটা শারিরিক এবং মানসিকভাবে তৃপ্তিদায়ক হবে না বরং তা হবে অত্যাচারের সমতূল্য।

আমরা দেখি অনেক ব্যক্তি সমকাম করবে আবার সমকামী বিয়ের কথা শুনলে ধর্মীয় ব্যাখ্যা দিবে। সেটা কেন করে? কারণ হচ্ছে এরা অন্ধ ও অজ্ঞ থাকার কারণে মনে করে এটা একটা পাপ - এটা শয়তানের প্ররোচনা! আসলে কি তাই? বৈজ্ঞানিক ভাবে প্রমানিত পৃথিবীর কোন মানুষ সম্পূর্ণ নারী বা পুরুষ নয়। এর উদাহরন আপনার চোখের সামনে দেখতে পারবেন। অনেক পুরুষ আছে যারা নারী সুলভ আচারণ করে! আবার অনেক নারী আছে যারা পরুষ সুলভ আচারণ করে। এটাকে বলা হয় জেন্ডার! আর যৌন প্রবৃত্তি বা যৌন অভিমুখীতা হচ্ছে আপনার মস্তিষ্কে, মনে ও দেহে। সেটা হতে পারে নারীর প্রতি আকর্ষণ বা পুরুষের প্রতি আকর্ষণ বা নারী ও পুরুষ দুই জেন্ডারের প্রতিই আকর্ষণ!

আমরা দেখতে পাই পৃথিবীর কোন মানুষই সম্পুর্ন ভাবে সমকামী বা বিষমকামী না। এটার গবেষণা করেছিল বিখ্যাত এক বিজ্ঞানী। আর তার এই গবেষণার নাম ছিল কিনসি স্কেল। এখানে আমি এই গবেষণাকে নিজের চিন্তা চেতনা দিয়ে নতুন মাত্রায় আনার চেষ্টা করেছি। আমি সমকামী ও বিষমকামী বলতে ছেলে বুঝিয়েছি। মেয়েদের বেলায়েও আমার এই পর্যবেক্ষণগুলো প্রযোজ্য। তখন লিঙ্গগুলো উলটে দিতে হবে।

"১" বিষমকামী। কিন্তু পৃথিবীর কোন ব্যক্তিই এই নম্বরের অন্তরভুক্ত না।

"২" বিষমকামী। কিন্তু ভাল কিউট ছেলে দেখলে ভাল বলবে এবং ভাল লাগবে। কিন্তু যৌন ভাবে কোন আকর্ষণ বোধ করবে না।

"৩" বিষমকামী। কিন্তু ভাল কোন কিউট ছেলে দেখলে তার ভাল লাগবে। কিন্তু যৌনভাবে আকর্ষণ বোধ করতে পারে আবার নাও পারে।

"৪" বিষমকামী। কিন্তু ভাল কিউট ছেলে দেখলে খুব সুন্দর বলবে এবং মন্তব করবে সে অনেক সুন্দর দেখতে এবং যৌন ভাবে আকর্ষণ বোধ করতে পারে। কিন্তু সমাজ বা ধর্মের কারণে এগুবে না এই বিষয়ে।

"৫" উভকামী। এদেরকে আমাদের খেয়াল করা উচিৎ। কারন হচ্ছে এই নম্বরের ব্যক্তিরা আমাদের বিষমকামী আর সমকামীদের মধ্যে বিভ্রান্তির কারণ। উভকামিতা মূলত বিষমকামিতা আর সমকামিতার একটি মিশ্রন। এই কারণে এই নম্বরের ব্যক্তিগুলো যেমন খুশি একটি ছেলে বা একটা মেয়ের সাথে থাকতে পারে। কারণ এটা এদের জন্মগত সুবিধা। এবং বাংলাদেশের প্রক্ষাপটে বেশির ভাগ উভকামীরা জেনে বা না জেনেই মেয়েদের দিকে ঝুঁকে এবং মেয়েদের বিয়ে করে সুখই হয়। এরা একটা মেয়েকে বিয়ে করার আগে বা পরে আলাদা একটা ছেলের সাথেও সম্পর্ক রাখে। কিন্তু পরবর্তিতে সমাজ আর ধর্মের ভয়ে সেটা বাদ দেয়। কারণ তারা দুইটার একটাকে বাদ দিয়ে বা দুইটা নিয়েই সুখই হতে পারে। তারা তখন সমকামিতাকে খারাপ মনে করে এবং একটা মেয়ের সাথে সুখের সংসার বাধে। তখনই ওই উভকামী ব্যক্তিরা যেখানে সমকামী বিষয়ক কথা উঠে সেখানে সবার আগে না জেনে বা বুঝেই বলে উঠবে এটা মনের রোগ, মন থেকে বাদ দিলেই এসব আর থাকে না। কপাল ভাল আল্লাহ তাদেরকে বাচিয়েছেন, ইত্যাদি ইত্যাদি। কিন্তু যারা এটা নিয়ে গবেষনা করে তারা তো ঠিকই জানে কারনটা আল্লাহ না - কারনটা জন্মগত। আর আমরাও না জেনে ওই জন্মগত সুভিদাবাদী উভকামী ব্যক্তিগুলোর কথার উপর ভিত্তি করে আসলে যারা সমকামী, যাদের সমকামিতা ছাড়া কোন স্বত্বা নেই, তাদের উপর আমরা দেই মিথ্যা অপবাদ এবং অত্যাচার - তাও আবার মানসিক।

"৬" সমকামী। কিছুটা উভকামী। কিন্তু একটা সুন্দর মেয়ে দেখলে সমাজের নিয়ম হিসাবে যৌন আকর্ষণ বোধ করতে পারে আবার নাও করতে পারে।

"৭" সমকামী। কিন্তু সুন্দর একটা মেয়ে দেখলে সুন্দরী বলবে কিন্তু যৌন ভাবে আকর্ষণ বোধ করবে না। কিন্তু মেয়ে মানুষ সন্দরী হলে সুন্দর মন্তব্য করবে।

"৮" সমকামী। কখনই মেয়ে দেখলে যৌন আকর্ষণ বোধ করবে না। সুন্দর মেয়ে দেখলে সুন্দর বলবে কিন্তু দু’বার তাকিয়ে দেখতে চাইবে না।

"৯" সমকামী। সব সময় ছেলেদের প্রতি আকর্ষণ বোধ করবে। কখনই মেয়েদের ব্যাপারে মন্তব্য করবে না। অনেকে আছে মেয়েদের কথা শুনলে বিরক্ত বোধ করে।

"১০" সমকামী। কিন্তু পৃথিবীর কোন ব্যক্তিই সম্পূর্ণ এই নম্বরে অন্তরভুক্ত না।

বিঃ দ্রঃ "৪" নম্ববরের ব্যক্তিরাও "৬" নম্বরের ব্যক্তিদের মত কিছটা উভকামী কিন্তু সমাজ যেহেতু বিষমকামিতার দিকে পক্ষপাতদুষ্ট, এরা মনে মনে বিষমকামী হয়ে জীবন যাপন করার চাপ অনুভব করে। তাই "৪" নম্বরের ব্যক্তিরা কোন দিনও সমকামী জীবন যাপন করবে না। এখানে বলে রাখা ভাল যে বর্তমানে আমরা এমন অনেক জ্ঞানই গুনি ব্যক্তিকে পেয়েছি যারা উভকামী এবং তারা এই সব যৌন অভিমুখীতা বিষয় নিয়ে অবহিত। কাজেই সব উভকামী এক নয়।

আমাদের এই ভন্ডামীর জন্য সরাসরই আমাদের রাষ্ট্র এবং ধর্ম দায়ই। বর্তমান বিশ্বে শুধু সমকামিতা নয়, সব ধরনের যৌন বিষয় নিয়ে নানান শিক্ষামূলক কর্মকান্ড থাকে। বর্তমানে বিশ্বের প্রচুর দেশ এই সব যৌনতা নিয়ে গবেষণা করে সব ধরনের যৌন ব্যক্তিকে সমান নাগরিক মর্যাদা দিচ্ছে। সেখানে আমাদের বাংলাদেশ অদক্ষ্য। আমাদের এই অবস্থার মূল কারণ কি হতে পারে? আমাদের দেশের বহু সমস্যা আছে আবার সমাধানও হচ্ছে এবং সামনে আরও সমাধান হবে। তবে এই সমস্ত সমস্যা সমাধানের জন্য রাষ্ট্রের দায়িত্ব আছে এবং রাষ্ট্রের হতে হবে উদ্যোগী। হ্যাঁ, এটা ঠিক যে বিশ্বের কোন দেশই রাতারাতই বদলায় নি। কিন্তু পরিবর্তন এসেছে ঐ সমস্ত দেশে। সেটা হয়েছে সে সব রাষ্ট্রের সৎ ইচ্ছার কারণে।

বাংলাদেশের ইসলামী ধর্মীয় শিক্ষা বা ইসলামী অপব্যাখ্যা সমকামী ব্যক্তিদের ইচ্ছা আকাঙ্খা এবং মানুষ হিসেবে বেচে থাকার অধিকারটুকু কেড়ে নিচ্ছে। এর থেকে মুক্তি দিতে পারে শুধু মাত্র রাষ্ট্রের উদ্যোগ। সমাজের অজ্ঞতার জন্য দায়ই এই রাষ্ট্র। কারন রাষ্ট্র মানুষকে সচেতন করতে উদ্যোগী নয়। আমরা অনেক সামাজিক কর্মকান্ড টেলিভিশন বা সামাজিক মাধ্যমে দেখে থাকি। দেখা যায় গ্রামে গঞ্জে শিশু সুস্থতা নিয়ে নানা কর্মকান্ড। এই সব কর্মকান্ডের ভিতর দিয়ে আমাদের সমাজ বদলানো যায়। অজ্ঞতাকে ছুড়ে ফেলা যায় নর্দামায়। সরকার যদি প্রতিটা ইউনিয়ন এবং গ্রামে এই সমস্ত যৌন অভুমুখীতা নিয়ে উদ্যোগী হত এবং টেলিভিশন, সামাজিক মাধ্যম ও সংষ্কৃতিক অঙ্গনে অল্প অল্প করেও কাজ করতো তাহলে আমাদের সমাজ বোধ হয় এসব অজ্ঞতা থেকে বের হয়ে আসতে পারতো। আইন পরিবর্তন করার আগে দেশটা পরিবর্তনের দিকে নজর দেওয়া দরকার সরকারের এবং আমাদের সকলের। কিন্তু দুর্ভাগ্য হল বাংলাদেশের রাজনীতি এক বিশাল সমুদ্র। আমাদের মত ৫-১০% মানুষের চোখের জলের কোনই দাম নেই।





-----------------------------------------------------
তালিকায় ফিরে যান
মূল পাতা
আমাদের সম্বন্ধে
সম্পাদকের বক্তব্য
তথ্য ভান্ডার
সৃজনশীলতা
সংবাদ
স্মৃতি চারণ
প্রেসবিজ্ঞপ্তি
জরুরী আবেদন
নিবন্ধ
দন্ডবিধি